ডা. প্রিয়াংকার মৃত্যু, হত্যা না আত্মহত্যা?

নিহত ডা. প্রিয়াংকা তালুকদার শান্তা

ডা. প্রিয়াঙ্কা তালুকদার শান্তার জীবনপ্রদীপ নিভে গেলো অকালেই। ১১ মে রাতে সিলেটের পাঠানটুলার পনিটুলা এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে প্রিয়াংকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার গঙ্গাধরপুর গ্রামের হৃষীকেশ তালুকদারের মেয়ে। মেয়েকে হারিয়ে শোকের মাতম চলছে প্রিয়াংকার পরিবারে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পনিটুলা এলাকার পল্লবী সি ব্লকের ২৫ নাম্বার বাড়িতে স্বামীর সাথে থাকতেন ডা. প্রিয়াংকা। তিনি পার্কভিউ মেডিকেল কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী দিবাকর দেব কল্লোল। তাঁদের পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলোনা প্রিয়াংকার।

প্রিয়াংকার বাবা হৃষীকেশ তালুকদার জানান, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না প্রিয়াংকার। ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকতো। রোববার সকালে আমাকে জানানো হয় আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। এটি বিশ্বাস করিনি আমি। আমি নিশ্চিত আমার মেয়েকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এজন্যই জালালাবাদ থানায় মেয়ের শ্বশুর সুভাস দেব, শ্বাশুড়ি রতœা দাস ও জামাই দিবাকরকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছি।

সিলেট জালালাবাদ থানার ওসি শাহ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ জানান, ডা. প্রিয়াংকার বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। তাঁর শ্বশুর, শ্বাশুড়ি ও স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here