বেনিয়াদের নতুন কারসাজি: হালাল বাণিজ্য

ramadan-shopping
রমজানে নানারকম অফারের প্রলোভনে পড়ে অনেকেই অপ্রোয়জনীয় কেনাকাটা করে থাকেন।

স্টেট অব দ্য গ্লোবাল ইকোনমি রিপোর্ট অনুসারে, ২০২১ সাল নাগাদ বৈশ্বিক ইসলামিক অর্থনীতির পরিমাণ দাঁড়াবে তিন ট্রিলিয়ন ডলারে। এর নেপথ্যে আছে বেনিয়াগোষ্ঠীর নতুন চাল ‘হালাল ট্রেন্ড’। আর এই হালাল সংস্কৃতির আওতায় রয়েছে খাবার, ভ্রমণ, পোশাক-পরিচ্ছদ, ওষুধ, কসমেটিকস, ইসলামিক ফিন্যান্স; এমনকি হালাল মিডিয়া, বিনোদন ও ফ্যাশন!

হালাল পণ্যের এই রমরমা বাণিজ্যের তোড়ে একদিকে সাধারণ মানুষ কিনছেন, কিনছেন আর কিনছেন; অন্যদিকে ফুলেফেঁপে উঠছে গুটিকয় মুনাফালোভীর পকেট।

এসব বিবেচনায় সচেতন হওয়ার সময় এসেছে আমাদেরও। পাশ্চাত্যের অনুকরণে আমাদের দেশে ইতোমধ্যেই রমজানকে ঘিরে শুরু হয়েছে হরেক রকম প্রলোভন আর অপসংস্কৃতি। যা রমজানের মূল লক্ষ্য ও চেতনা থেকে আমাদের কেবল দূরে সরিয়েই দেয় না; বরং করে তোলে অপচয়কারী বা শয়তানের ভাই। অতএব সচেতন হোন। মহিমান্বিত রমজানে বেনিয়াগোষ্ঠীর ফাঁদ থেকে নিজে বাঁচুন। বাঁচান আপনার আত্মীয়-বন্ধু-পরিজনদের।

তথ্যসূত্র: দ্যা গার্ডিয়ানে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদন / ফান, ফ্যাশন এ্যান্ড হালাল লিপস্টিক: রিটেইলার্স ক্যাশ / ইন অন টু হান্ড্রেড মিলিয়ন রামাদান ইকোনমি

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন এর মাহে রমজান সংখ্যা বুলেটিন অবলম্বনে

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here