খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

খাগড়াছড়িতে ভারী বর্ষনের ফলে পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা। টানা কয়েক দিনের অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারনে নতুন করে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় হাজরেরও বেশি পরিবার পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে।

পৌর শহরের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রায় তিন শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। শহরের শালবাগান এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপূর্ণ ভাবে বসবাসকারী অর্ধ শতাধিক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতি মধ্যে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলছে পুরোদমে। বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি। এ অবস্থায় খাগড়াছড়ি জেলায় খোলা হয়েছে ৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র।

বর্ষণ অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি ব্যাপক পাহাড় ধসের শঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পাহাড় ধসে যুগেন্দ্র চাকমা (৪০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।তিনি দীঘিনালার বাবুছড়া ইউনিয়নের দূর্গম উল্টাছড়ি এলাকার সুবধন চাকমার ছেলে।

এছাড়াও অব্যাহত টানা বর্ষনে খাগড়াছড়ির কলাবাগান,নেন্সিবাজার,মোল্লাপাড়া,আঠার পরিবার,শালবন ও মোহাম্মদপুর এলাকায় পাহাড় ধস হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও পৌর সভার পক্ষ থেকে দূর্গতের মাঝে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। এদিকে মহালছড়িতে সড়ক পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পুরো জেলায় খোলা হয়েছে ৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র। দুর্যোগ মোকাবেলায় দুইশ মে:টন চাউল ও দুই লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here